নিজস্ব প্রতিবেদক : উপকূ’লীয় জেলা লক্ষ্মীপুরের রায়পুর মেঘনা নদীর সীমান্তবর্তী এলাকা গুলোতে এবার দেখা মিলছেনা কাঙ্খিত রুপালী ইলিশের । সারাদিনভর নদীতে ইলিশ ধরা জেলেরা ইলিশ শূণ্য জাল আর নৌকা নিয়েই বাড়ি ফিরতে হচ্ছে। অপরদিকে বিভিন্ন এনজিও সংস্থা থেকে ধার-কর্জ করা ঋণের বোঝা মাথায় নিয়ে পরিবার পরিজনকে নিয়ে হতাশাগ্রস্থ হয়ে পড়েছেন একানকার জেলে পরিবার গুলো।
সরেজমিন মেঘনা তীরবর্তী জেলে পরিবার এবং নদীতে মাছ শিকার করা জেলেদের সাথে কথা বলে জানাযায়,অন্যান্য বছর ইলিশের এই ভরা মৌসুমে নদীতে ব্যপক ইলিশ মাছ ধরা পড়তো, প্রতিদিন দিনে মাথাপিঁছু গড়ে ১৫শ টাকা থেকে ২ হাজার টাকা ইনকাম করতেও তেমন বেগ পোহাতে হতো না,কিন্ত এবার নদীতে ইলিশ ধরার নিষিদ্ধ সময় পার করার পর নদীতে আর সেই কাঙ্খিঁত ইলিশের দেখা মিলছেনা। সারা দিনভর ঝড় বৃষ্টি উপেক্ষা করে দুই একটা যেই মাছ পাওয়া যাচ্ছে তাতে করে নৌকার তেল খরচ এবং জালের ভাড়া মিটানোটাও অসম্ভব বলে জানাচ্ছেন জেলেরা। মেঘনা মধ্যবর্তী জালিয়ার চর এবং সাইজুদ্দিন মোল্লার ঘাটের আড়ৎদাররা জানান,গত বছর এই মৌসুমে প্রতিদিন ৭ থেকে ৮ লক্ষ টাকার ইলিশ এখান থেকে রপ্তানী করা হতো,কিন্তু এবার দিনে মাত্র ৩০ থেকে ৩৫ হাজার টাকা লেনদেন হচ্ছে, ফলে কয়েক হাজার জেলে পরিবার তাদের সাংসারিক খরচ মেটাতে রীতিমত হিমশিম খেতে হচ্ছে।
ইলিশ শিকারী বাদশাসহ আরও অনেকে জানান,পূর্বে গোপনে অনেক অসাধু জেলেরা জাটকা শিকার করায় এবার নদীতে ইলিশের আকাল পড়েছে। নতুবা এধরনের সমস্যা হতোনা বলেও তারা অভিমত প্রকাশ করেন। জেলে পরিবার গুলো লকডাউন মোকাবেলায় শূণ্য হাতে কিভাবে দিনাতিপাত করেবেন এনিয়ে বেশ উদ্বিগ্ন অবস্থায় দিনাতিপাত করছেন এবং সরকারি সহযোগীতার জন্য বিনিত অনুরোধ জানিয়েছেন ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *