রংপুরে ইয়াবা দিয়ে ফিরোজ খান রাজু নামে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত এক ব্যক্তিকে ফাঁসানোর অভিযোগ উঠেছে পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে।

এ ঘটনায় মেট্রোপলিটন পুলিশের সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) সায়েমকে অবরুদ্ধ করে রাখেন এলাকাবাসী। পরে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা গিয়ে অবরুদ্ধ অবস্থা থেকে তাকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যান।

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রংপুর মহানগরীর চেকপোস্ট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ভুক্তভোগীর অভিযোগ খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।

চেকপোস্ট এলাকার স্থানীয়রা জানান, বুধবার দুপুরে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ফিরোজ খান রাজু তার অফিসের পাশের একটি চায়ের দোকানে চা পান করতে যান। এ সময় তাকে ফাঁসাতে সিগারেটের প্যাকেটে ইয়াবা ট্যাবলেট দিয়ে হাতকড়া পরিয়ে টেনেহিঁচড়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন এএসআই সায়েম।

এতে রাজুর সহকর্মীরাসহ এলাকাবাসী বাধা দেয়। পরে বিক্ষুব্ধ জনতা ওই পুলিশ কর্মকর্তাকে অবরুদ্ধ করে রাখেন। একই সঙ্গে রাজুকে ইয়াবা দিয়ে ফাঁসানোর প্রতিবাদ করেন তারা।

খবর পেয়ে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করেন। তারা ওই এএসআইয়ের ব্যাপারে ওঠা অভিযোগ ও ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দেন।

এরপর অবরুদ্ধ অবস্থা থেকে এএসআই সায়েমকে উদ্ধার করে নিয়ে যান। এ ঘটনায় সুষ্ঠু বিচার চেয়েছেন রাজুর সহকর্মী ও এলাকাবাসী।

এ বিষয়ে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (অপরাধ) শহিদুল্লাহ কাওছার বলেন, আমরা অভিযোগসহ পুরো ঘটনাটি তদন্ত করে দেখছি। তদন্ত শেষে ওই পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে যথাযথ পদক্ষেপ নেয়া হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.