August 5, 2020, 5:27 am
শিরোনাম:
রায়পুর-ফরিদগঞ্জ সড়কে আনন্দ বাসের ধাক্কায় মটরসাইকেল আরোহী নিহত উইঘুর মুসলিম নারীদের ইলেক্ট্রিক শক দিয়ে গর্ভপাত করছে চীন সরকার চীনে নতুন ফ্লু ভাইরাস শনাক্ত, রয়েছে মহামারির শঙ্কা: বিবিসি লক্ষ্মীপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট নুরউদ্দিন চৌধুরী নয়ন করোনায় আক্রান্ত। দৈনিক আমাদের লক্ষ্মীপুর এর সম্পাদক ও প্রকাশক বায়েজীদ ভূঁইয়া তাকে দেখতে যান।

কারেন্টের বিল মেটাতে কিডনি বিক্রির ঘোষণা দিলেন অভিনেতা

মহামারি করোনাভাইরাসে মন্দ প্রভাব পড়েছে গোটা বিশ্বের অর্থনৈতিক অবস্থায়। কাজ হারিয়েছেন কোটি কোটি মানুষ। অভাব-অনটনে দিনযাপন করছেন তারা। কিন্তু নিত্য পণ্য বা সেবার মূল্য কমেনি। বরং অনেক দেশে আগের চেয়ে বেড়েছে। যেমনটা দেখা যাচ্ছে বিদ্যুৎ বিলের ক্ষেত্রে। বেশ কিছু দেশের নাগরিকেরাই

অভিযোগ করেছেন স্বাভাবিকের চেয়ে বিদ্যুতের বিল বেশি এসেছে করোনায় ঘরবন্দী সময়টাতে। অনেকের ক্ষেত্রে বিলের পরিমাণ ছিলো একেবারেই মাত্রাতিরিক্ত। ভারতে বিদ্যুৎ বিলের এই বিড়ম্বনা এরইমধ্যে তুমুল আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

করোনার কারণে তিন মাস বিদ্যুতের বিল স্থগিত রাখতে সংস্থাগুলোকে অনুরোধ করেছিল ভারতের মহারাষ্ট্র সরকার। সেই অনুরোধ প্রাধান্য দিয়ে মার্চ থেকে মে মাস বিল পাঠায়নি কোনো বিদ্যুৎ বন্টনকারী সংস্থা। তবে, গেল জুন থেকে বিদ্যুৎ বিল আসা শুরু হয়। আর বিদ্যুৎ বিলের অংক দেখে মাথায় হাত উঠছে সবার। যার মধ্যে রয়েছেন বলিউডের অনেক তারকাও।

ইতিমধ্যে মুম্বাই শহরের বিদ্যুৎ ব্যবহারকারী হিসেবে বিল নিয়ে বিরক্ত হয়ে টুইট করা শুরু করেছেন তাপসী পান্নু থেকে হুমা কুরেশিসহ অনেকেই। এ তালিকায় আছেন আরশাদ ওয়ারসিও। তবে তিনি অন্যদের মতো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিলের কাগজ দেখিয়েই ক্ষান্ত হননি। এ নিয়ে মুখ খুলে সরাসরি সাক্ষাৎকারও দিয়েছেন গণমাধ্যম বম্বে টাইমসে।

সেই সাক্ষাৎকারটি আরশাদ নিজের টুইটারে পোস্ট করে ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘ধন্যবাদ বম্বে টাইমস। অনুগ্রহ করে আমার পেইন্টিংগুলো কিনুন। আদানি পাওয়ারকে বিদ্যুতের বিল পরিশোধ করতে পরের মাসের জন্য আমার একটা কিডনি বরাদ্দ রাখলাম।’

তার টুইট দেখে হেসে খুন হচ্ছেন নেটিজেনরা। অনেকে তার রসিকতার প্রশংসাও করছেন। তবে ভারতজুড়ে বিদ্যুৎ বিল নিয়ে যে বাজে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে সেটাও প্রকট হয়ে উঠলো আরশাদ ওয়ারসির পোস্টে।



ফেসবুক পেইজ

বাংলাদেশে

আক্রান্ত
১৭৮,৪৪৩
সুস্থ
৮৬,৪০৬
মৃত্যু
২,২৭৫

বিশ্বে

আক্রান্ত
১৮,৭০৫,০৯৬
সুস্থ
১১,৯২২,৬৯২
মৃত্যু
৭০৪,৩৮৫