লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে তারাবির নামাজে মুসল্লি কম-বেশি উপস্থিত হওয়া এবং সময় নির্ধারণকে কেন্দ্র করে হামলা ও ভাংচুরের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় উভয় পক্ষের ১০ জন আহত হয়েছেন।

মঙ্গলবার রাতে উপজেলার দক্ষিণ চরবংশী ইউনিয়নের উপকূলীয় চরাঞ্চল পশ্চিম চরকাছিয়া (টুনির চর) এলাকার দারুল উলুম আল হোসেনিয়া এতিমখানা মাদ্রাসা ও মসজিদে এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় বুধবার দুপুরে দ্বীন চরবংশি ইউপির হাজিমারা ফাঁড়ি থানায় পৃথক ২টি অভিযোগ করো হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আমাদের মসজিদে অতিরিক্ত মুসল্লি হওয়ার কারণে স্থানীয় মসজিদ কমিটির সিদ্ধান্ত মোতাবেক পৃথক পৃথক দুটি জমায়াতের সহিত তারাবির নামাজ আদায় করার সিদ্ধান্ত হয়। কিন্তু হঠাৎ করে তারাবির নামাজের সিদ্ধান্ত অমান্য করে নামাজ বন্ধ করার চেষ্টা করে স্থানীয় একাংশ মুসল্লি।

এতে মসজিদ কমিটি ও মুসল্লিরা প্রতিবাদ করলে দেলোয়ার সর্দারের নেতৃত্বে স্থানীয় দেলোয়ার সর্দার, আব্দুল কাদের, সোহেল, মাঝি, হারেছ,আবু বকরসহ অজ্ঞাত আরও কয়েকজন মাদ্রাসারছাত্র, শিক্ষক ও মসজিদের ইমামসহ মুসল্লিদের উপরে হামলা চালায়। এ সময় তারা মসজিদ ও মাদরাসায় ভাংচুর করে। এতে উভয় পক্ষের ১০ জন আহত হয়।

এ ঘটনায় অভিযুক্ত দেলোয়ার সর্দারসহ অন্যরা নিজেদের নির্দোষ দাবি করে বলেন, মসজিদ কমিটি নিজেদের ইচ্ছেমতো ১২ জনের তালিকা করে আমাদেরকে নামাজ থেকে বঞ্চিত করেছে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে তারা খারাপ আচরণ করে।

এ ঘটনায় হাজিমারা পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক (তদন্ত) আবুল কালাম আজাদ জানান, ঘটনাটি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.