নিজস্ব প্রতিবেদক ॥
সংবাদমাধ্যমে অপপ্রচারের অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেছেন লক্ষ্মীপুরের রামগতির টাংকি বাজার মৎস্য ব্যবসায়ী মো. আব্দুর রব। নোয়াখালী ও লক্ষ্মীপুর জেলার সীমান্ত বিরোধের জের ধরে ওই ব্যবসায়ীকে সমাজে হেয়-প্রতিপন্ন করার উদ্দেশ্য প্রতিপক্ষের লোকজন এ অপপ্রচার চালিয়েছে বলে সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়।

৫ জুলাই রবিবার সকালে নোয়াখালী এবং লক্ষ্মীপুরের সীমান্তবর্তী এলাকা টাংকির বাজারে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন স্থানীয় মৎস্য ব্যবসায়বৃন্দ। এতে আব্দুর রব নিজেকে একজন প্রতিষ্ঠিত মৎস্য ব্যবসায়ী ও সামাজিক কর্মী হিসেবে উল্লেখ করে অপপ্রচারকারীদের বিচার দাবি করেন।

আব্দুর রব বেপারী জেলার রামগতি উপজেলার চরগাজী ইউনিয়নের চরগাজী টাংকি বাজার এলাকার বাসিন্দা এবং ওই ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্বে রয়েছেন। এছাড়া স্থানীয় মসজিদ, মাদ্রাসা ও বাজার কমিটির সভাপতিও তিনি।

সংসাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, আমি দীর্ঘ কয়েক বছর থেকে সুনামের সাথে টাংকি বাজারে মাছের ব্যবসা করে আসছি। গত কয়েক বছর থেকে লক্ষ্মীপুরের রামগতির চরগাজী ও নোয়াখালী হাতিয়া উপজেলার হরণী ইউনিয়নের সীমান্ত এলাকা টাংকির বাজার নিয়ে দুই জেলার লোকদের মধ্যে বিরোধ চলে আসছে। আমি রামগতি উপজেলার পক্ষে থাকায় হাতিয়ার কিছু লোক আমার বিরুদ্ধে সড়যন্ত্র করেছে। এছাড়া হাতিয়ার বয়ারচর এলাকার কাজী জিয়া নামে জনৈক ব্যক্তি টাংকি বাজার এলাকায় নিজের আধিপত্য ও অবৈধ প্রভাব বিস্তার করতে না পারায় আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র শুরু করেছে। এরই অংশ হিসেবে আমার বিরুদ্ধে গণমাধ্যমকর্মীদের কাছে মিথ্যা ডাকাতি, অস্ত্র ব্যবসায়ী, চাঁদাবাজ আখ্যায়িত করে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা প্রতিবেদন করিয়েছে। আমি এর তীব্র প্রতিবাদ জানাই।

তিনি বলেন, এ এলাকাটি সীমান্তবর্তী হওয়ায় একসময় জলদস্যু, সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজদের দৌঁরাত্ব ছিলো। জনপ্রতিনিধিসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উদ্যোগে এ বাজারে একটি পুলিশ ক্যাম্প স্থাপন করা হয়। এর পর থেকে অপরাধশূলক কর্মকানন্ড অনেকটা কমেছে। পুলিশ ক্যাম্প প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পেছনে আমার অগ্রনী ভূমিকা ছিলো। ফলে আমি অপরাধীদের চক্ষুশূল হয়ে পড়েছি। আমি সব সময় অপরাধের বিরুদ্ধে, তাই আমি কিভাবে অপরাধ করতে পারি।

তিনি আরও বলেন, ষড়যন্ত্রকারীরা আমার সাথে আমার ভাতিজা টাংকি বাজারের ওয়ার্কশপ ব্যবসায়ী জামসেদ ও দুলাল নামে দুইজনকে জড়িয়ে অস্ত্র ব্যবসায়ী হিসেবে সংবাদ প্রকাশ করেছে। বাজারের মাছ ব্যবসায়ী দিদার, শাহাদাত ও তেগাছিয়া বাজারের মুদি ব্যবসায়ী বেলালকে আমার সহযোগী হিসেবে উল্লেখ করা হয়। কিন্ত তারা দীর্ঘদিন সুনামের সাথে ব্যবসা করে আসছে। তারা কোন প্রকার অপরাধের সাথে সম্পৃক্ত নয়। মিথ্যা সংবাদের কারণে আমাদের সামাজিক এবং ব্যবসায়ীক মর্যাদা ক্ষুন্ন হয়েছে। তাই আমরা এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। একই সাথে প্রশাসনের কাছে সুষ্ঠ তদন্ত দাবি করছি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *